Posts

আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস।

Image
  আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস। মেহেদী হাছান  আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের ২৮তম অধিবেশনে এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা লাভ করে। ২০১২ সালে ইউনেস্কোর ১৯০তম অধিবেশনে ১৮ ডিসেম্বরকে বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের প্রায় ২৮ কোটি মানুষ এ ভাষায় কথা বলে। প্রায় ২৫ কোটি মানুষের দ্বিতীয় ভাষা আরবী।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবী বিভাগ প্রত্যেক বছর এ দিবস উদযাপন করে থাকে। এ বছরও ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস।

কয়রায় গুচ্ছগ্রামে স্ব উদ্যোগে সবজি চাষে স্বচ্ছল হচ্ছেন বাসিন্দারা

Image
  কয়রায় গুচ্ছগ্রামে স্ব উদ্যোগে সবজি চাষে স্বচ্ছল হচ্ছেন বাসিন্দারা জি এম রিয়াজুল আকবর  কোন জায়গা জমি নেই। গুচ্ছগ্রামে ঘর ও সামান‌্য জায়গা পে‌য়ে সবজি লাগিয়েছি। ৪ ছেলে মেয়ে লেখাপড়া করে। পানি, চাল, কাঠ, তরকারি, সবকিছু কিনে খেতে হয়। স্বামীর আয়ে ঠিকমত সংসার চলে না। তাই আ‌মি আ‌ঙ্গিনায় সব‌জি চাষ ক‌র‌ছি। এতে আমরা নিজেরা তরকারি খেতে পারছি, আবার কিছুটা বিক্রিও করছি। এখান থে‌কে বছরে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা আয় হয়। যা সংসারের পিছনে খরচ করি। বুধবার সকালে খুলনার কয়রা উপজেলার বাগালী আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মিনা খাতুন এ কথা বলেন। তার সবজি লাগানো দেখে পাশে মাহফুজা খাতুনও সবজি চাষ করে‌ছেন। মাহফুজা খাতুনও সংসারের চা‌হিদা মি‌টি‌য়ে বাজারে কিছুটা বিক্রি করছেন। এতে বছরে তার তিন থেকে চার হাজার টাকা আয় হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাহফুজা। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বাগালী গুচ্ছগ্রা‌মে ৮০ টি সেমি পাকা ঘর র‌য়ে‌ছে। এক‌টি পুকুর র‌য়ে‌ছে। মাছ চা‌ষের পাশাপা‌শি পুকু‌রের পা‌নি দি‌য়ে উপকার‌ভোগীরা তা‌দের আ‌ঙ্গিনায় বি‌ভিন্ন সব‌জি চাষ কর‌ছেন। সেখানে অর্ধশতাধিক পরিবারের দেখা মেলে। তন্মাধ্যে ১০ থেকে ১২ জন সবজি চাষ করে...

সোনাকান্দা জলকেল্লা

Image
'সোনাকান্দা জলকেল্লা' লেখা: মাহফুজা শিমু  মানব সভ্যতা টিকিয়ে রাখার একটি অন্যতম শর্ত, নিরাপদ জীবন ব্যবস্থা। প্রকৃতির বিপরীতমুখী আচরণ কিংবা প্রতিপক্ষের আক্রমণ; নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যেই উৎপত্তি হয় দুর্গ ব্যবস্থার। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা ছিলো এক সমৃদ্ধশালী অঞ্চল। যার দরুন বহিরাগতের আক্রমণ অতিষ্ঠ করে তুলেছিল এ অঞ্চলের মানুষকে। নদীমাতৃক হওয়ায় জলদস্যুদের অত্যাচার, লুটতরাজ প্রতিনিয়ত বিপর্যস্ত ও ভীতসন্ত্রস্ত করছিল বাংলার জনজীবন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বাংলায় যে দুর্গগুলো গড়ে তোলা হয়েছিল, তারমধ্যে অন্যতম একটি দুর্গ হচ্ছে সোনাকান্দা দুর্গ। আমরা যদি এ দুর্গের ইতিহাসের দিকে তাকাই, তবে দেখতে পাই, সপ্তদশ শতাব্দীতে তৎকালীন মুঘল সুবেদার নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ আক্রমণ এবং জলদস্যুদের লুন্ঠন থেকে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাকে রক্ষার জন্য প্রকৌশলীদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন তিনধাপে দুর্গ তৈরির। জলদস্যুদের নৌকা মেঘনা নদী দিয়ে আসবে ধলেশ্বরীতে, এরপর প্রবেশ করবে শীতলক্ষ্যায়। শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকা প্রবেশের পূর্বেই ধলেশ্বরীর মোহনায় কামানের গোলা ছোড়া হবে ...