Posts

Showing posts with the label সাহিত্য

"সেরাদের সেরা'২৩ লক্ষ্মীপুর জেলার অডিশন সম্পন্ন"

Image
 "সেরাদের সেরা'২৩ লক্ষ্মীপুর জেলার অডিশন সম্পন্ন" সমন্বিত সাংস্কৃতিক সংসদ (সসাস) কর্তৃক আয়োজিত সেরাদের সেরা'২৩ এর লক্ষ্মীপুর জেলার অডিশন সম্পন্ন হয়েছে। জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে ক্রেষ্ট ও সার্টিফিকেট তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। লক্ষ্মীপুর জেলা পর্যায়ের অডিশনে প্রধান মেহমান হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সসাসের নোয়াখালী অঞ্চল তত্তাবধায়ক ও সসাসের সংগীত পরিচালক রাশেদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সসাসের শিশু কিশোর সম্পাদক জাকির হোসাইন, অনুপম শিল্পীগোষ্ঠীর সাবেক পরিচালক মিরাজ হোসাইন, ইব্রাহিম বিন হোসাইন, মাহমুদুল হাসান রাজিব। এছাড়াও বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ও আবৃত্তিকার আলমগির হোসাইন এবং আলী আহম্মদ। পরিচালনায় ছিলেন অনুপম শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালক আহমদ শরীফ। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন রেনেসাঁ শিল্পীগোষ্ঠীর পরিচালক আবু জর গিফারী, অনুপম শিল্পীগোষ্ঠীর সহকারী পরিচালক সাকিব হোসেন এবং অনুপম শিল্পীগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠকবৃন্দ।

সংঘাতের মুখে ইসলাম

Image
 সংঘাতের মুখে ইসলাম মেহেদী হাছান  সংঘাতের মুখে ইসলাম" বইটি মুহাম্মদ আসাদ রচিত "Islam at the Cross-Roads" এর বাংলা অনুবাদ। বইটির এরুপ নামকরণের কারণ একজন পাঠক বইটির ভূমিকার প্রথম লাইনে গভীরভাবে লক্ষ্য করলেই সেটা খুব ভালোভাবে উপলব্ধি করতে পারবে। বর্তমানে মুসলিম উম্মাহ সহ গোটা মানবতা আজ গভীর সংকটের মধ্যে পতীত। এই সংকট বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে শুরু করে সামগ্রিক সংকট। "বর্তমান যুগের মতো এমন অশান্ত যুগের সম্মুখীন মানবজাতি আর কখনোই হয়নি।" প্রতিনিয়ত নিত্যনতুন অসংখ্য সমস্যার তৈরী হচ্ছে, যার নতুন নতুন ও অভূতপূর্ব সমাধানের প্রয়োজন হচ্ছে।  সেক্ষেত্রে এসকল মৌলিক সমস্যা ও পরিবর্তনশীল অবস্থার গভীরতা কতটুকু? ইসলামের সাংস্কৃতিক লক্ষ্যের সাথে এসব পরিবর্তন, ক্রমবিকাশ কতোটা খাপ খাচ্ছে? মুসলমানদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পতনের মূল কারণ কি? এরপর বর্তমান পাশ্চাত্য সভ্যতার প্রতি আমাদের মনোভাব কেমন হওয়া উচিত? বর্তমান সময়ে আমাদের করণীয় কি?  মুহাম্মদ আসাদ "সংঘাতের মুখে ইসলাম" বইটিতে মূলত এই সকল প্রশ্নেকে সামনে রেখে এর জবাব দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। বইটি ভূমিকা ও উপসংহার সহ ৬টি অধ্যায় নিয়...

আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস।

Image
  আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস। মেহেদী হাছান  আজ বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালে জাতিসংঘের ২৮তম অধিবেশনে এটি জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা লাভ করে। ২০১২ সালে ইউনেস্কোর ১৯০তম অধিবেশনে ১৮ ডিসেম্বরকে বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বিশ্বের প্রায় ২৮ কোটি মানুষ এ ভাষায় কথা বলে। প্রায় ২৫ কোটি মানুষের দ্বিতীয় ভাষা আরবী।  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আরবী বিভাগ প্রত্যেক বছর এ দিবস উদযাপন করে থাকে। এ বছরও ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীর অংশগ্রহণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে পালিত হয়েছে বিশ্ব আরবী ভাষা দিবস।

সোনাকান্দা জলকেল্লা

Image
'সোনাকান্দা জলকেল্লা' লেখা: মাহফুজা শিমু  মানব সভ্যতা টিকিয়ে রাখার একটি অন্যতম শর্ত, নিরাপদ জীবন ব্যবস্থা। প্রকৃতির বিপরীতমুখী আচরণ কিংবা প্রতিপক্ষের আক্রমণ; নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যেই উৎপত্তি হয় দুর্গ ব্যবস্থার। প্রাচীনকাল থেকেই বাংলা ছিলো এক সমৃদ্ধশালী অঞ্চল। যার দরুন বহিরাগতের আক্রমণ অতিষ্ঠ করে তুলেছিল এ অঞ্চলের মানুষকে। নদীমাতৃক হওয়ায় জলদস্যুদের অত্যাচার, লুটতরাজ প্রতিনিয়ত বিপর্যস্ত ও ভীতসন্ত্রস্ত করছিল বাংলার জনজীবন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে বাংলায় যে দুর্গগুলো গড়ে তোলা হয়েছিল, তারমধ্যে অন্যতম একটি দুর্গ হচ্ছে সোনাকান্দা দুর্গ। আমরা যদি এ দুর্গের ইতিহাসের দিকে তাকাই, তবে দেখতে পাই, সপ্তদশ শতাব্দীতে তৎকালীন মুঘল সুবেদার নদীপথে মগ ও পর্তুগিজ আক্রমণ এবং জলদস্যুদের লুন্ঠন থেকে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকাকে রক্ষার জন্য প্রকৌশলীদের সাথে পরামর্শের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেন তিনধাপে দুর্গ তৈরির। জলদস্যুদের নৌকা মেঘনা নদী দিয়ে আসবে ধলেশ্বরীতে, এরপর প্রবেশ করবে শীতলক্ষ্যায়। শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকা প্রবেশের পূর্বেই ধলেশ্বরীর মোহনায় কামানের গোলা ছোড়া হবে ...